Sunday, January 29, 2017

ইন্ডিয়ার টেক স্টারটাপ গুলা এখন বেশির ভাগই পপুলার এপ গুলার কপি।

ইন্ডিয়ার টেক স্টারটাপ গুলা এখন বেশির ভাগই পপুলার এপ গুলার কপি।
সেদিন একটা কোম্পানি দেখলাম Intercom এর পুরা লাইনআপ মেরে দিছে, ওদের ওয়েবসাইট এর ডিজাইন সহ। ফ্লিপকার্ট ওই কোম্পানিকে কিনে নিয়েছে।

গতকাল একটা সাইট দেখলাম পুরাই Hotjar এর কপি এবং বেশ ভাল করছে।
আমার পরিচিত একজন (বিদেশি) Canva কে কপি করে নতুন সার্ভিস বাজারে নিয়ে আসছে এবং ৭ দিনে $80000 সেল করেছে।
একটা আইডিয়া বাজারে আছে মানে এই না আপনি আনতে পারবেন না।
আসল ব্যাপার হচ্ছে, আপনার এক্সিকিউশন।

* Intercom copy = http://www.nudgespot.com/
* Canva's competitor = https://www.designbold.com/
* Big guys say to do this and there is a company who just go with copy pasting and make billions of dollar: 
http://thehustle.co/rocket-internet-oliver-samwer
* Get lots of new ideas from this website:
 https://www.crunchbase.com/#/home/index

# Parvez Akther

Wednesday, January 18, 2017

রুল অব সেভেন ( ডিজিটাল মার্কেটিং )

একটা কোম্পানীর এডের সাথে ক্রেতার কমপক্ষে ৭ বার সাক্ষাত হতে হয় কেনার আগে । এই ৭ বার সাক্ষাত অনেক স্ট্রাটেজিক্যালি করতে হয়। পারলে নন কমার্শিয়াল এনকাউন্টার। শুরুতেই সেল করতে চাওয়া মানে রাস্তা পারা পারের সময় হঠাৎ কাউকে ডেটিং কিংবা বিয়ের প্রস্তাব দেয়া। এভাবে কেউ রাজী হয় ?


ডিজিটাল মার্কেটিং কিন্তু এই সমস্যার সমাধান করেছে। অধিকাংশ নন ব্রান্ড কোম্পানী সরাসরি কারো কাছেই বিক্রি করার চেস্টা করে না। তারা একটা মার্কেটিং ফানেল সাজিয়ে নিয়েছে।
আর এই যে সমস্যা সরাসরি সেল করা যাবে না, তার জন্য নানা রকমের সমাধান ভিত্তিক সার্ভিস ও বিজনেস তৈরি হয়েছে।

যেখানেই সমস্যা, সেখানে সমাধানেরও প্রয়োজন। এক একটা সমস্যা মানে একেকটা বিজনেস। এই রুল অব সেভেন কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা বিজনেসঃ
১) ব্লগিং - কনটেণ্ট রাইটার , ব্লগিং টুলস
২) ইমেল মার্কেটিং সার্ভিস (aweber)
৩) এড নেটওয়ার্ক/ সোশ্যাল/সার্চ এড
৪) রিমার্কেটিং (adroll.com)

কেন লিখলামঃ
১) বাংলাদেশের অধিকাংশ কোম্পানী ডিরেক্ট সেল করে। ডিজিটাল মার্কেটিং ফানেল সম্পর্কে কোন স্ট্রাটেজি নাই। তাই কস্ট পার সেল অনেক হাই। কমাতে পারতো অনেক
২) যেই ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানী খুলে সে আসলে এড ম্যানেজমেণ্ট কোম্পানী খুলে। আরো যে সার্ভিস গুলো প্রয়োজন সেই দিকে তাকায় না
৩) সকালের স্টাটাসের পয়েন্টটাকে রিএনহেন্স করা। সমস্যার সমাধানের চেস্টার মাধ্যমেই বিজনেস আইডিয়া খুজা।
৪) রুল অব সেভেন সম্পর্কে একটু জানিয়ে দেয়া।

* Abul Kashem

Monday, December 12, 2016

Sunday, November 20, 2016

Backpackbang এ কেনাকাটা করার জন্য যেভাবে ফ্রিতে মাস্টার কার্ড (Mastercard) পাবেন

backpackbang mastercard payoneer

কি ভাবে MasterCard/Visa Card এবং PayPal একাউন্ট খোলা যায়। যারা জানে না, তাদের জন্য আমি বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো। আপনে যদি বাহির থেকে কিছু কিনতে চান অথবা পে করতে চান আর তারা যদি MasterCard/Visa Card সাপোর্ট করে তাহলে আপনে আমাদের দেশের যে কোন ব্যাংকের Dual Currency এর MasterCard/Visa Card করে নিতে পারেন। তবে Dual Currency এর MasterCard/Visa Card করতে অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট থাকতে হবে অন্যথায় আপনে করতে পারবেন না। এ ছাড়া আপনে চাইলে Payoneer অথবা Neteller এর MasterCard করে নিতে পারেন। Neteller এর process সম্পর্কে আমি সঠিক জানি না।

Payoneer এ MasterCard করতে হলে আপনাকে Payoneer এর ওয়েবসাইটে গিয়ে Register করতে হবে, এ ক্ষেত্রে ভেরিফিকেসন এর জন্য আপনার ভোটার আইডি কার্ড / পাসপোর্ট / ড্রইভিং লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে। আর অবশ্যই আপনে আপনার বাসার ঠিকানাটি সঠিকভাবে পূরণ করবেন কেননা MasterCard টি আপনার ওই ঠিকানায় পাঠানো হবে। আপনে নিজে সরসরি তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে Sign Up করতে পারেন অথবা কারো referral এর মাধ্যমে একাউন্ট খুলতে পারেন। Referral এর মাধ্যমে খুললে আপনার Card এর Request গ্রহন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। Referral আর একটা সুবিধা হচ্ছে, একাউন্ট খোলা পর কোন Client যদি আপনাকে Payoneer এর মাধ্যমে Pay করে তাহলে আপনে নিজে এবং যে আপনাকে Refer করেছে দুই জনই $25 Referral বোনাস পাবেন। আপনে যে কারো Referral এ একাউন্ট খুলতে পারবেন, আর যদি আপনে আমার Referral এ একাউন্ট খুলতে চান তাহলে এই লিংকটিতে গিয়ে একাউন্ট খুলতে পারেন

https://share.payoneer.com/nav/ItDrm1SWUNhDiiwC7GpmI3jZ5lIAafWT_JLbvYDiqKGul_c5IAdTIVryD2pkimKHsDhTw_pevLESgapiCHZwXQ2

Payoneer MasterCard এর Request টি গ্রহন হলে, একটা Confirmation ইমেইল পাবেন এবং এতে লেখা থাকবে যে খুব দ্রুত তারা আপনার কার্ডটি আপনার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবে। MasterCard আসতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগতে পারে।

এইবার আসি খরচের কথায়। MasterCard টি Request করতে কোন Pay করতে হয় না অর্থাৎ কোন Pay না করে আপনে MasterCard টি আপনার হাতে পাবেন। কিন্তু MasterCard টি যখন আপনে Active করবেন এরপর প্রতি বৎসর $30 কাটবে।

Payoneer এর সুবিধা হল, Payoneer এর সাথে আপনাকে একটা USA এর Virtual Bank Account এবং Routing Number দেয় যা use করে আপনে USA থেকে সহজে Payment গ্রহন করতে পারবেন। Payoneer MasterCard আর এক বড় সুবিধা হল Payoneer MasterCard USA এর ব্যাংক থেকে ইস্যু করা তাই আপনে Payoneer MasterCard PayPal এ সংযুক্ত করতে পারবেন। Payoneer MasterCard দিয়ে আপনে পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় MasterCard support করে এমন বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন অথবা MasterCard দিয়ে Shopping Mall গুলোতে Pay করতে পারবেন। Payoneer এ বাংলাদেশের ব্যাংক একাউন্ট Add করা যায় তাই চাইলে আপনে আপনার Payoneer এ জমানো অর্থ আপনার বাংলাদেশের ব্যাংক একাউন্টে withdraw করতে পারবেন।

পরের প্রসঙ্গে আসি, কি ভাবে Payoneer MasterCard এ ডলার লোড করবেন। এ ক্ষেত্রে আপনে যদি freelancing/outsourcing কাজের সাথে যুক্ত থাকেন তাহলে আপনার কাজের Payment Payoneer এর মাধ্যমে নিতে পারেন। আর যদি আপনে freelancing/outsourcing কাজের সাথে যুক্ত না হন তাহলে আপনাকে আমার মতো যারা freelancing/outsourcing কাজের সাথে যুক্ত তাদের কাছে থেকে ডলার কিনে নিয়ে আপনার Payoneer একাউন্টে ডলার ট্র্যান্সফার করে নিতে পারেন।

* Fahmidur Rahman Opu

Wednesday, November 2, 2016

পাইথন এবং ডাটা সায়েন্স কোর্স (Numpy, Matplotlib and Panda)

যারা পাইথন এবং ডাটা সায়েন্স আগ্রহী তাদেরকে এই কোর্সটা অনেক হেল্প করবে। এইখানে numpy, matplotlib and panda নিয়ে বেশ ভাল কিছু টাস্ক দেওয়া আছে এবং কোর্স পরিচালনা করছে মাইক্রোসফট ইঞ্জিনিয়ার'স

https://www.edx.org/course/introduction-python-data-science-microsoft-dat208x-0

# Jahidul Alam Rudro

Wednesday, August 3, 2016

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাইলে একজন ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টকে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি কি ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত ?

আসসালামু 'আলাইকুম, নাহমাদুহু ওয়ানুসাল্লি আলা রাসুলিহিল কারিম, আম্মা বা'দ।
Ariful Islam ভাই খুবই সুন্দর একটি উদ্যোগ নিয়েছেন, নবীন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টদের একাডেমিক সময়ে কি কি প্রস্তুতি নিতে হবে যেন পড়াশোনা শেষে জব পাওয়া ও জব-এ কাজ করার সহজ হয় - এ বিষয়ে তিনি বিভিন্নজনের মতামত সংগ্রহ করছেন এবং কম্পাইল করে পরবর্তীতে কম্বাইন্ড ভার্শন বের করার কাজ করছেন। এটি নিঃসন্দেহে খুবই প্রয়োজনীয় এবং যুগোপযোগী উদ্যোগ। উনার রিকোয়েষ্ট এ আমার কিছু মতামত পেশ করছি, আশা করি কাজে লাগতে পারে। 
 
১। স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর জন্য ইউনিভার্সিটির প্রথম ও দ্বিতীয় বছয় প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট এ সময় দিলে ভালো হয়, তখন প্রোগ্রামিং এর প্রতি একটা টান তৈরি হবে এবং প্রব্লেম সলভিং এর মজা টা পাওয়া যাবে। একটা সমস্যা কে কিভাবে ছোট ছোট ভাগে ভেংগে সলভ করতে হয়, কোন কোন সময় কোন ধরণের এলগরিদম ব্যবহার করতে হয়, কখন কম্প্রোমাইজ করতে হয় ইত্যাদি বিষয়ে একটা ভালো ধারণা এই সময় তৈরি হয়। ইউনিভার্সিটি গুলোতে প্রায়ই সিনিয়ররা কিংবা স্যারেরা কন্টেস্ট সংক্রান্ত বুটক্যাম্প বা নিদেনপক্ষে গাইডলাইন সেশন করে থাকেন, সেগুলোতে অংশগ্রহন করা উচিত। যারা CSE/ICT এর না, তারা সাধারণত ইউনিভার্সিটি থেকে কন্টেস্ট এ অংশগ্রহণ করতে পারেন না - তাদের অনলাইন কন্টেস্ট গুলাতে সময় দিতে হবে। অনলাইন কন্টেস্ট এর জন্য কয়েকট জনপ্রিয় সাইট হলঃ topcoder, codechef, uva, hackerrank
 
২। এর পরের ২ বছরে একটা নির্দিষ্ট track (PHP/.NET/Java/Android/iOS/C) বেছে নিয়ে তার উপর স্পেশালাইজেশন তৈরি করা উচিত। এর জন্য প্রথমেই যেটা প্রয়োজন হবে সেটা হল কমপক্ষে ২-৩ টা ভালো বই কাভার টু কাভার পড়া এবং এর বিষয়গুলো আত্বস্থ করা। বইয়ের প্রতিটা কোড ব্লক, এক্সারসাইজ, প্রব্লেম সলভিং নিজ হাতে টাইপ করে করে রান করে দেখতে হবে। অনেক সময় বিরক্তি আসতে পারে, কিন্তু তারপরও এটি চালিয়ে যেতে হবে ততদিন পর্যন্ত যতদিন নিজের মনে কনফিডেন্স না আসে। অনেক সময় এরকম হতে পারে যে একটা track এ অনেকদিন সময় দেয়ার পরও হচ্ছে না, তখন অন্যান্য track নিয়ে চেষ্টা করা যেতে পারে। অনেকে চিন্তা করেন যে কোনটা দিয়ে শুরু করবেন - একটু ঢুঁ মেরে দেখুন প্রত্যেকটির সাইট ও অনলাইন ডকুমেন্টেশন এ, কাছের বড় ভাইদের জিজ্ঞেস করুন, ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছে এমন কোন বন্ধু বা আত্বীয়কেও জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। যেটা নিয়েই শুরু করুন না কেন, লেগে থাকতে হবে আর যথেষ্ট সময় দিলে যেকন লাইনেই ভালো করা সম্ভব।
 
৩। যখন মনে হবে যে একটা কনফিডেন্স আসছে, অনেক গুলো ছোট ছোট প্রজেক্ট হয়ে গিয়েছে আর সহজেই একটা প্রব্লেম সলভ করা যায় একটু চিন্তা করলে, তখন পার্সোনাল কিছু প্রজেক্ট তৈরিতে হাত দেয়া উচিত যেখানে এই জ্ঞান পরিপূর্ণ ভাবে কাজে লাগবে। হতে পারে একটা Small POS system / Student Management System / HR Management / URL shortener / Invoice Generator / Job site / Blog / Twitter clone / University Portal / E-commerce store etc এরকম যেকোন কিছু যা আপনার ভালো লাগে। অনলাইনে এধরণের ভালো ভালো সলিউশন গুলো থেকে ফিচার বাছাই করে সেগুলা ইম্প্লেমেন্ট করলে একটা আইডিয়া তৈরি হবে যে আসলে কি থাকে এধরণের সফটওয়্যার এ। যেমন একটা Invoice Generator বানানোর জন্য freshbooks.com, invoicemachine.com ইত্যাদি সাইট এ ফ্রি একাউন্ট করে দেখতে হবে কি কি ফিচার তারা দেয় এবং সেখান থেকে ৮/১০ টা মূল ফিচার নিয়ে নিজের একটা ভার্শন বানাতে হবে।
 
৪। একই সাথে ভালো ওপেন সোর্স প্রজেক্ট খুঁজে খুঁজে সেগুলার কোড পড়তে হবে ও ডাউনলোড করে চালিয়ে দেখতে হবে। কিছু কিছু যায়গায় মডিফাই করে দেখতে হবে কি ইম্পাক্ট হয়, কোন অংশ কিভাবে কাজ করে ইত্যাদি। একজন অভিজ্ঞ প্রোগ্রামার মাত্রই সে অন্যের লেখা প্রচুর কোড পড়ে এবং ভালো কোড দেখে নতুন নতুন জিনিস শেখে। যেমন ওপেন সোর্স Invoice Generator এর কোড হিসেবে invoiceninja.com এর কোড দেখা যেতে পারে, E-commerce store হিসেবে sylius.org এর কোড দেখা যেতে পারে।
 
৫। এরপর যদি সুযোগ থাকে তাহলে এরকম ১/২ টা প্রজেক্ট এ কন্ট্রিবিউট করতে পারলে খুব ভালো হবে। এক্ষেত্রে শুরু করতে হবে কোন বাগ সলভ / ডকুমেন্টাশন আপডেট / খুব ছোট কোন ইম্প্রুভমেন্ট ইত্যদি দিয়ে। এখানে অনেকের মধ্যে একটা হেসিটেশন কাজ করে যে "আমি করতে পারি এমন কিছু কি এখানে আছে?" / "আমার চেয়ে অনেক অনেক বড় বড় ডেভেলপার রা কাজ করছে, আমি কি পাত্তা পাবো?" ইত্যাদি - এগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে দেখতে হবে ছোট ছোট কাজ কি আছে এবং সেখান থেকে শুরু করতে হবে। গিটহাব এ এধরণের প্রজেক্ট এর কন্ট্রিবিউটর পেজ এ গেলে দেখা যাবে যে মাত্র ১টা কমিট করেছে এমন লোকও অনেক আছে। তারা যদি করতে পারে, তাহলে আমিও পারবো এমন মানসিকতা রাখতে হবে। যেমন invoicenija.com এর কন্ট্রিবিউটর পেজে দেখা যাবে যে ৮৫ জন কন্ট্রিবিউটর এর মধ্যে ২৯ জনের আছে ১টা করে কমিট, ১০ জনের আছে ২টা করে কমিট, ৭ জনের ৩টা করে কমিট, ৭ জনের ৪টা করে কমিট ইত্যাদি।
 
৬। স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর পাশাপাশি আপডেটেড থাকার জন্য track এর রেগুলার আপডেট ফলো করতে হবে। এজন্য reddit, stackoverflow, quora, sitepoint, etc সাইটে সবসময় চোখ রাখতে হবে, পাশাপাশি নিজের track এর এগ্রেগেটেড সাইট গুলো ও ফোরাম গুলোও দেখতে হবে। যেমন PHP তে যারা কাজ করেন তারা planet-php.net, phpdeveloper.org, laravel-news.com, laracasts.com, symfony.fl ইত্যাদি সাইট এ চোখ রাখতে পারেন, অংশগ্রহণ করতে পারেন phpXperts গ্রুপ এ - http://bit.ly/phpxperts। নতুন কোন ফিচার / লাইব্রেরি / কোড স্নিপেট ভালো লাগলে ডাউনলোড করে চালিয়ে দেখতে হবে। আর এই ফিল্ডের বড় বড় অভিজ্ঞ প্রোগ্রামারদের ব্লগ এ নিয়মিত ভিজিট করতে হবে, তাদের পোষ্ট পড়তে হবে এবং তাদের চিন্তাধারা গুলো বুঝার চেষ্টা করতে হবে। দেশে কাজ করছেন এমন অভিজ্ঞ প্রোগ্রামারদেরদের সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করা যেতে পারে, এজন্য তাদেরকে ফেসবুক/টুইটারে ফলো করতে হবে।
 
৭। এভাবে নিজের স্কিল যখন একটা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে যাবে, তখন সম্ভব হলে কিছু ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা যেতে পারে। এজন্য সরাসরি আপওয়ার্ক বা এধরণের ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে বিড করে কাজ নেয়া যেতে পারে বা অন্য কোন টিম / বড় ভাইয়ের সাথে জয়েন্টলি কাজ করা যেতে পারে। উদ্দেশ্য হল হাত পাকানো - ক্লায়েন্ট এর সাথে কমিউনিকেশন, রিকোয়রমেন্ট বুঝা, এস্টিমেট করা, মাইলষ্টোন এ ভাগ করে কাজ করা, কাজের ডেলিভারি দেয়া, কমিটমেন্ট ধরে রাখা ইত্যাদি বিষয়গুলো এই ফাঁকে আয়ত্তে এসে যাবে। অনেক সময় বিভিন্ন কোম্পানী পার্ট-টাইম বা ইন্টার্নশিপ এর সুযোগ দেয়, সেরকম ম্যানেজ করতে পারলে আরো ভালো। এখানে খেয়াল রাখতে হবে যে কাজ করতে গিয়ে যেন ওভার কমিটমেন্ট না হয়ে যায় - এমন যেন না হয় যে সময় মত কাজ না দিতে পারার কারণে কিংবা লো কোয়ালিটির কাজের কারণে নিজের বা নিজের কমিউনিটির বা দেশের সুনাম নষ্ট হল। এই বিষয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর আর্টিকেল ও গাইডলাইন অনলাইন এ পাওয়া যায় - সেগুলা পড়তে হবে এবং নিজেকে যতটা সম্ভব ডিসিপ্লিন এর মধ্যে রাখতে হবে। 
 
৮। গ্রাজুয়েশেন এর পর জব এর জন্য প্রস্তুতি হিসেবে একটা ভালো রেজুমে বানাতে হবে - এখানে হাইলাইট করতে হবে পার্সোনাল প্রজেক্ট, ওপেন সোর্স কন্ট্রিবিউশন, নিজের ব্লগ, পছন্দের সাইট/রিসোর্স এর লিঙ্ক ইত্যাদি। একটু খুঁজলেই সুন্দর সুন্দর রেজুমের ফরম্যাট পাওয়া যায় অনলাইন এ, একেবারেই না পেলে গুগল ডকস এর টেমপ্লেট থেকে বেছে নেয়া যেতে পারে। রেজুমে তে গৎবাঁধা সব টেকনোলজির নাম না দিয়ে স্পেশালাইজেশন গুলা হাইলাইট করতে হবে। ইউনিভার্সিটির প্রজেক্টওয়ার্ক গুলো যদি রেলেভেন্ট হয়, তাহলে সেগুলোর নাম দেয়ার পাশাপাশি হাল্কা বর্ণনা দেয়া যেতে পারে।
 
এভাবে প্রস্তুতি নিলে আশা করা যায় একজন নিজেকে জব ফিল্ডের জন্য তৈরি করতে পারবে। এখানে একটা কথা না বললেই নয়, সেটা হল কোন শর্টকাট উপায়ে রাতারাতি স্কিল অর্জন করার কোন উপায় নেই - সফল হতে হলে অবশ্যই সময়, মেধা ও শ্রম ব্যয় করতে হবে। কেউ যদি এরকম আশ্বাস দেয় যে একটা কোর্স করলেই চাকুরী পাওয়া যাবে, বা কয়েকটি টিউটরিয়াল পড়েই ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা কামানো যাবে তাহলে বুঝতে হবে যে এখানে কোন ফাঁক আছে। এসব বিষয়ের দিকে না ঝুঁকে মূল লার্নিং এ সময় দিলেই সফল হওয়া যাবে।
 
সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। 
 
* Mohammad Emran Hasan

Monday, August 1, 2016

পাইথন জব পাওয়ার জন্য একজন ক্যান্ডিডেটের কি ধরনের গুনাবলী থাকা দরকার?

পাইথন জব পাওয়ার জন্য একজন ক্যান্ডিডেটের কি ধরনের গুনাবলী থাকা দরকার? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পেপাল এর পাইথন টীমের হেড মাহমুদ । মাহমুদ পাইকোডার্স উইকলিরও কো-অথর ।

http://sedimental.org/getting_a_python_job.html

 আর্টিকেলের সারমর্ম:
-- শেখার আগ্রহ থাকতে হবে ।
-- গিটহাব একাউন্ট থাকা অত্যন্ত জরুরী, গিট জানতে হবে ।
-- নিজের সাইড প্রজেক্ট থাকলে ভালো ।
-- ওপেন সোর্স এ কন্ট্রিবিউট করুন, বড় প্রজেক্টে কন্ট্রিবিউশন আপনার জব পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিবে ।
-- লিনাক্স বা ওসএক্স ব্যবহার করুন । কমান্ড লাইন ভালো না জানলে সমস্যা ।
-- ব্লগ লিখুন, স্ট্যাকওভারফ্লোতে কন্ট্রিবিউট করুন

# Masnun